logo
প্রকাশ: ০১:২৭:৫৪ AM, বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০
সামাজিক সম্প্রীতিতে সূরা আল-হুজুরাত
এইচএম মুুহিব্বুল্লাহ

পবিত্র আল কোরআনের ধারাবাহিকতায় সূরা আল-হুজুরাতের অবস্থান ৪৯তম। এটি ১৮ আয়াত সংবলিত মদীনায় অবতীর্ণ একটি সূরা। সূরাটির দৈর্ঘ্য কম হলেও এর মধ্যে আছে একটি সুন্দর সমাজ, পরিবার, জাতি ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য পরিপূর্ণ নির্দেশনা। সুন্দর ও সভ্য জাতির জন্য যা কিছু প্রয়োজন আল্লাহ এ সূরাতে তাই দিয়েছেন। এ সূরার শুরুতে আল্লাহ ও রাসুল (সা.) এর সঙ্গে আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তাঁদের সিদ্ধান্তের ওপর কী পরিমাণ অবিচল থাকা আবশ্যক এ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে ইসলামকে নিয়ে বিজ্ঞ আলেমদের মধ্যে যে কাদা ছোড়াছুড়ির প্রবণতা দেখা দিয়েছে তা দেখে এ সূরার বিধানগুলো আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে বারবার কড়া নাড়ছে। তারা কি জানেন না এ বিধানাবলি? আলেম সমাজের এই অসৌজন্যমূলক আচরণ হলে আমরা সাধারণ মানুষ কার পানে তাকিয়ে থাকব? আপনারা তো হাদিসের ভাষায় রাসুল (সা.) এর ওয়ারিশ। ওয়ারিশের ক্ষমতাবলে যাচ্ছে-তাই করা আপনাদের শোভা পায় না। আপনাদের জন্য নির্ধারিত হদ (সীমারেখা) রয়েছে। এ সূরায় বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা, কথা বলার আদব, কারও ঘরে প্রবেশের নিয়ম, গুজবে কর্ণপাত না করা, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করার সীমারেখা, অন্যের দোষ-ত্রুটি তালাশ করার বিধান, কোনো মানুষকে বেনামে সম্বোধন করা, গোয়েন্দাগিরি ও গিবত করার পরিণতি নিয়ে সুন্দর কিছু বিধানাবলি আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্য দিয়েছেন। একটি সুন্দর, স্বচ্ছ ও নির্মল সমাজ বিনির্মাণে সূরা আল হুজুরাত থেকে কিছু মূলনীতি আজ পাঠকের সামনে তুলে ধরব। 
আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সংযত হোন : আমরা মানুষ, জীবন চলার পথে আমরা নানাবিধ প্রয়োজনের সম্মুখীন হই। তবে আমাদের চাহিদা বা আকাক্সক্ষা সর্বদা হতে হবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) এর দেখানো পথ ও মত অনুযায়ী। আমরা আল্লাহর দেওয়া সিদ্ধান্তের ওপর নিজেদের মতকে প্রাধান্য দেওয়ার মতো সাহসিকতা দেখব না। প্রসঙ্গত একটি হাদিসের দিকে দৃষ্টি দেব। আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, একদা তিন ব্যক্তি রাসুল (সা.) এর স্ত্রীদের ঘরে এসে রাসুল (সা.) এর আমল সম্পর্কে জানতে চাইলে তাদের অবহিত করা হলো। তারা শুনে আশ্চার্যান্বিত হয়ে বললেন : আল্লাহ তায়ালা যাঁর আগের ও পরের সব গোনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন তাঁর আমল যদি এমন হয় তবে আমরা কোথায়? তাদের প্রথম ব্যক্তি বলল : আজ থেকে আমি সারারাত নামাজ পড়ব। দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল : আমি পূর্ণ বছর রোজা রাখব। আর তৃতীয় ব্যক্তি : আমি আর কখনও স্ত্রী সহবাস করব না। এ কথা বলতেই রাসুল (সা.) এসে পড়লেন এবং বললেন : কে তোমাদের মধ্যে এমন এমন কথা বলেছ? আল্লাহর কসম আমি তোমদের চেয়ে আল্লাহকে বেশি ভয় করি তবুও আমি রোজা রাখি এবং রোজা ভাঙি (ইফতার করি), রাতে নামাজ পড়ি, নিদ্রা যাই এবং স্ত্রী সহবাসও করি। সুতরাং যে আমার সুন্নতের অনুসরণ করবে না সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়। (বোখারি)। মহান আল্লাহ তায়ালা এ বিষয়ে বলেন : হে মোমিনরা! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সামনে অগ্রগামী হয়ও না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন। (সূরা আল-হুজুরাত : ১)।
রাসুল (সা.) এর চেয়ে কণ্ঠস্বর নিচু রাখুন : একদা বনু তামিম গোত্রের শাসনকর্তা নিযুক্ত করার বিষয়ে রাসুল (সা.) এর দরবারে আবু বকর (রা.) কা’কা ইবনে হাকিমের নাম প্রস্তাব করলেন, আর ওমর (রা.) প্রস্তাব করলেন আকরা ইবনে হাবসের নাম। দুজনের নাম নিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে এটি মজলিসের ভেতরেই কথা কাটাকাটিতে রূপ নিয়ে উভয়ের কণ্ঠস্বর উঁচু হয়ে গেলে মহান রাব্বুল আলামিন নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন। (বোখারি)। আল্লাহ তায়ালা বলেন : ‘হে মোমিনরা! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের ওপরে তোমাদের কণ্ঠ উঁচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সঙ্গে যেভাবে উঁচু স্বরে কথা বল তেমনি তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ উঁচু করো না। এতে তোমাদের কর্মগুলো নিষ্ফল হয়ে যাবে তোমরা তা অনুভবও করতে পারবে না।’ (সূরা আল-হুজুরাত : ২)। মদিনাতুল মুনাওয়ারায় আমাদের প্রিয় রাসুল (সা.) এর রওজা মোবারকেও এ আয়তটি খচিত আছে। মহান আল্লাহ আজও এ আয়াতের বিধান কার্যকর করে রেখেছেন। সুতরাং, আলোচ্য আয়াত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আমরা মা-বাবা, শিক্ষক ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিদের সামনে কথা বলার ক্ষেত্রেও কণ্ঠস্বরকে নিম্নগামী রাখতে সচেষ্ট থাকব। 
সম্মানসূচক শব্দ দ্বারা সম্বোধন করুন : ইমাম বাগাবি (রহ.) হজরত কাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, একদা বনু তামিম গোত্রের লোকজন দুপুরের সময় মদিনায় উপস্থিত হয়েছিল। রাসুল (সা.) তখন দুপুরের খাবার গ্রহণ করে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আগন্তুকরা ছিলেন বেদুঈন এবং সামাজিক রীতি-নীতি সম্পর্কে অজ্ঞ। ফলে তারা রাসুল (সা.) এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন না করে বরং হুজরার (কক্ষের) বাইরে থেকেই ‘হে মুহাম্মদ! বের হোন’ বলে ডাকতে থাকে। ফলে আল্লাহ তায়ালা তাদের এ ঘৃণিত কাজের বিপরীতে নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন। এবং এভাবে ডাকাডাকি না করে রাসুল (সা.) বের হয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষার বিধান করে দেওয়া হয়। আমাদেরও কর্তব্য হবে এই যে, যখন তখন কারও কাছে গিয়ে কাউকে বিরক্ত না করা। সম্মানিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেখা করার আগে তার সময় জেনে অনুমতি নিয়ে দেখা করা। নতুবা এমন ব্যবহার করা শিষ্টাচারবিরোধী। আল্লাহ বলেন : তারা যদি আপনার বের হয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করত, তবে সেটিই তাদের জন্য উত্তম হতো। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা আল-হুজুরাত : ৫)। 
কাউকে উপহাস বা ঠাট্টা থেকে বিরত থাকুন : চেহারা বা আকৃতি এটি মহান আল্লাহর এক অপার নেয়ামত। আল্লাহ চাইলে আপনাকে-আমাকে পঙ্গু, বিকলাঙ্গ, অন্ধ, বধির করে সৃষ্টি করতে পারতেন। আপনার কোনো সম্পদ কিংবা বংশীয় ক্ষমতায় আল্লাহ আপনার রূপ, কণ্ঠ, জ্ঞান দান করেননি। আল্লাহ বলেন : তিনিই সেই আল্লাহ, যিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেন মায়ের গর্ভে, যেমন তিনি চেয়েছেন। (সূরা আলে ইমরান : ৬)। সুতরাং কোনো মানুষ অন্য মানুষের আকৃতি, বর্ণ, ধর্ম, বংশমর্যাদা, ধন-সম্পদ, বিদ্যা নিয়ে উপহাস করতে পারে না। একদা ইবনে মাসউদ (রা.) খেজুর সংগ্রহ করতে গাছে উঠলেন। তখন তার পায়ের নিম্নভাগ চিকন দেখে অন্য সাহাবিরা একটু হাসলেন। রাসুল (সা.) ধমক দিয়ে বললেন : ‘ইবনে মাসউদ (রা.) এর এই পা মিযানে দিলে উহুদ পাহাড়ের চেয়ে ভারী হবে।’ আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন : হে মোমিনরা! কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোনো নারী যেন অপর নারীকে উপহাস না করে। কেননা সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারে। (সূরা হুজুরাত : ১১)।
কারও দোষ-ত্রুটি তালাশ করা বন্ধ করুন : কারণে-অকারণে কারও দোষ-ত্রুটি খুঁজে বেড়ানো ইসলামে নিষিদ্ধ। আর এটি করলে ব্যক্তির ছোট ও হীন মানসিকতা জনসম্মুখে প্রকাশ পায়। ছোট মনের মানুষ অন্য মানুষের দোষ খোঁজে, মধ্যম মনের মানুষ সমাজের দোষ খোঁজে আর বিশাল হৃদয়ের ব্যক্তিরা বিবেক দিয়ে দোষ-ত্রুটির সমাধান করেন। আজকাল নানা পরিবারের লোকজন পরিবারের অন্য সদস্যদের দোষ তালাশে ব্যস্ত হয়ে থাকে। দোষ খুঁজতে গিয়ে দিনকে রাতের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলতেও পিছপা হয় না। এটি একটি মরণব্যাধি, যা আমাদের শারীরিক ও মানসিক রোগী হতে সাহায্য করছে। একটি সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে এ মরণব্যাধির মূলোৎপাটন করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন : হে মোমিনরা! ... তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না। (৪৯ : ১১)।
মন্দ নামে ডাকা বন্ধ করুন : একজন ব্যক্তি অন্যায় করে শয়তানের কুমন্ত্রণা পেল। আবার আল্লাহর অবারিত রহমতের বারি বর্ষণ হলে সে তওবা করে এবং ফিরে আসে রহমানের কোমল পরশে। আমাদের সমাজে আমরা কখনও কখনও মানুষের নাম বিকৃত করে ডাকি। এমনকি আল্লাহর নামে কোনো ব্যক্তির নাম হলে আমরা তাকে সরাসরি ডাকি কুদ্দুছ, মালিক এমন বলে। কখনও কখনও এ নামগুলোকেও বিকৃত করতে ছাড়ি না। অথচ আল্লাহর নাম বিকৃত করা কবিরা গোনাহ আর কোনো ব্যক্তির নাম যদি আল্লাহর নামে হয় তবে তার শুরুতে আবদুল বলা আবশ্যক। কারণ কোনো মানুষ রাজ্জাক তথা রিজিকদানকারী হতে পারে না। তাকে আবদুর রাজ্জাক হতে হয়। কেননা রাজ্জাক শুধু আল্লাহ, আর আমরা সব আল্লাহর গোলাম। আমরা কোনো ব্যক্তিকে রাজ্জাক বলে সম্মোধন করলে এটি শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। আর যখন কোনো ব্যক্তি অন্যায় করে অতঃপর অন্যায় থেকে সঠিক পথে ফিরে আসে তখন তাকে আগের কোনো কর্মের খারাপ দিক থেকে সম্বোধন করা আল্লাহ অবৈধ ঘোষণা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, কোনো ব্যক্তি চুরি করত কিংবা মাদকাসক্ত ছিল, তার অন্যায় উপলব্ধি করে সে সঠিক পথে ফিরে এলে তাকে আর চোর কিংবা মাদকাসক্ত বলা যাবে না। এ কাজ সম্পাদনকারী ব্যক্তির মর্যাদা মাটির সঙ্গে ধসে যায়। আর ব্যক্তিটির কাজ হাসির খোরাকি হয়। আল্লাহর বাণী : হে  মোমিনরা! ... তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেক না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে (সংশোধন হলে) তাকে মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এমন কাজ থেকে তাওবা না করে তারাই জালিম। (সূরা হুজুরাত : ১১)।
খারাপ ধারণা থেকে বেঁচে থাকুন : আমরা মানুষ। আমাদের ওহির জ্ঞান জানা সম্ভব নয়। সুতরাং আমাদের কল্পনার জগৎ দিয়ে কোনো মানুষকে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা আল্লাহ আমাদের দেননি। তাই কারও সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ থেকে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে। সুস্পষ্টভাবে কোনো তথ্য না জেনে শুধু কোনো ব্যক্তিকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য এহেন জঘন্য কর্ম থেকে বিরত থাকা চাই। রাসুল (সা.) বলেন : ‘সাবধান! তোমরা খারাপ ধারণা থেকে বিরত থাক। কেননা খারাপ ধারণাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় মিথ্যা।’ (বোখারি ও মুসলিম)। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন : হে মোমিনরা! তোমরা কতক (খারাপ) ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয়ই কতক (খারাপ) ধারণা গোনাহ। (সূরা হুজুরাত : ১২)।
গুপ্তচরবৃত্তি বন্ধ করুন : সুখী-শান্ত একটি সমাজে বিশৃঙ্খলার বীজ বপন করতে চাইলে শুরুতে গুপ্তচরবৃত্তি আবাদ করাটাই ফলপ্রসূ হয়। আমাদের সমাজের অধিকাংশ সদস্য এ কাজে পারিশ্রমিকবিহীন সদস্য হতে আগ্রহী। এরা যেন এ হারাম পদ্ধতিটি হালাল মধুর সঙ্গে মিশ্রণ করে বৈধ করতে পারদর্শী। আমরা স্বর্ণের পেয়ালাতে দেওয়া এ বিষ জেনেও ঢকঢক করে গিলতে পরোয়া করি না। কিন্তু হে বিবেকবান মানুষ! সাবধান হোন! নতুবা আপনার আজকের চটকদার এ বিষয়টির নোংরা থাবা আপনার পরবর্তী প্রজন্মকে গ্রাস করবে। আল্লাহর বাণী : হে মোমিনরা! ... তোমরা গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। (সূরা হুজুরাত : ১২)।
পরনিন্দা বা গিবত করা বন্ধ করুন : আগে আমাদের বুঝতে হবে গিবত কী? কোনো ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে খারাপ কিছু বলাকে গিবত বলে। যদি তার মধ্যে সে খারাপ বিষয়টি সত্যিই বিদ্যমান থাকে তবে তা বলা গিবত হবে আর যদি বিষয়টি তার মধ্যে বিদ্যমান না থাকে তবে তা হবে অপবাদ। গিবতের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। রাসুল (সা.) বলেন : মিরাজের সময় রাসুল (সা.)  এমন এক সম্প্রদায়ের কাছ দিয়ে অতিক্রম করলেন যাদের নখগুলো ছিল তামার। তারা সে নখ দিয়ে তাদের মুখমণ্ডল ও বুক আঁচড়াচ্ছিল। আমি জিবরাইল (আ.) কে জিজ্ঞেস করলাম এরা কারা? তিনি বললেন : এরা নিজ ভাইদের গিবত করত ও ইজ্জতহানি করত। (মুসনাদে আহমাদ ৩/২২৪)। এ প্রসঙ্গে আল্লাহর বাণী : হে মোমিনরা! ... তোমরা তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুত তোমরা একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালু। (সূরা হুজুরাত : ১২)।

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]