| প্রকাশ: ০৩:২৫:২৪ PM, সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২০ | |
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে হেরে গিয়ে ক্ষেপে গিয়েছিল ভারতের ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশি ক্রিকেটাররাও তাতে তাল দিয়ে গেছে। যে কারণে ম্যাচ শেষে তুমুল হট্টগোল শুরু হয় মাঠে। সম্প্রচার ক্যামেরায় তা পুরোপুরি দেখা না গেলেও মাঠে থাকা বেশ কিছু ক্যামেরায় এই ঘটনার ভিডিও ধরা পড়েছে। তাতে দেখা যায়, বাংলাদেশের পতাকা কেড়ে নিয়ে ফেলার চেষ্টা করছেন এক ভারতীয় ক্রিকেটার!
ক্রিকেটকে বলা হয় ভদ্রলোকের খেলা। এখানে ট্রফি হাতছাড়া হলেও মেজাজ গরম করা মানায় না। কিন্তু বিশ্বকাপে হারের পর সেই ভদ্রতা ধরে রাখতে পারেনি ভারতের ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশের উদযাপন সহ্য করতে না পেরে মেজাজ হারিয়ে ভারতীয় একজন খেলোয়াড় এক বাংলাদেশি ক্রিকেটারের থেকে লাল-সবুজের পতাকা ছিনিয়ে নেন! যা রীতিমতো জাতীয় পতাকার অবমাননা। ক্রিকেট মাঠে এমন দৃশ্য একেবারেই বিরল ঘটনা!
পুরো ম্যাচ জুড়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আজে-বাজে ভাষায় স্লেজিং করে গেছে ভারতীয় ক্রিকেটাররা। দক্ষিণ আফ্রিকায় দলের সঙ্গে থাকা বিসিবির জুনিয়র নির্বাচক কমিটির সদস্য হাসিবুল হোসেন জানিয়েছেন, ‘ওরা পুরো ম্যাচজুড়েই প্রচুর স্লেজিং করেছে। আমরা জেতার পর তা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। আমাদের ক্রিকেটাররা যখন উৎসব করতে শুরু করল, তখনই ওরা এসে মা-বাপ তুলে গালিগালাজ শুরু করে। কত আর সহ্য করা যায়! ছেলেরা সহ্য করতে না পেরে প্রতিবাদ করতে যায়। এতেই শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি।’
ম্যাচের পরপরই ভারতীয়রা ভদ্রতাসূচক করমর্দনও করেননি। তারা রীতিমতো মা-বাপ তুলে গালাগাল করেছিল বলে জানা গেছে। পরে অবশ্য পরিস্থিতি ঠান্ডা হলে আনুষ্ঠানিকতা মেনে করমর্দন করেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। এই ঘটনায় বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর আলী দুঃখ প্রকাশ করলেও ভারতীয় অধিনায়ক কোনো দুঃখপ্রকাশ করেনি। তারা বাংলাদেশের ওপর দোষ চাপিয়েই বসে আছেন। এই ঘটনা নিয়ে তদন্তে নেমেছে আইসিসি। আজ বিকালেই এ বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার কথা রয়েছে।
![]() সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected] |