| প্রকাশ: ০৮:৩১:৪৫ PM, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২০ | |
‘ইত্যাদি’র সুবাদে রিকশাচালক থেকে সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন যশোরের আকবর। ‘তোমার হাত পাখার বাতাসে’ গান গেয়ে রাতারাতি তারকা খ্যাতি পান তিনি। তবে সেটা বেশিদিন ধরে রাখতে পারেনি এই শিল্পী। কর্মহীনতা আর অসুস্থতায় জীবনটা বিবর্ণ হয়ে ওঠে তার।
সম্প্রতি করোনা মহামারিতে আকবরের অবস্থা আরও শোচনীয়। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অবস্থার কথা তুলে ধরেন এই গায়ক। তিনি জানান, গত দুই মাস যাবৎ কোনো কাজই করতে পারেননি। বাসাতেও খাবার নেই। মুদির দোকানি বাকি বন্ধ করে দিয়েছে। পরিবার নিয়ে একপ্রকার উপোস থাকতে হচ্ছে তাকে।
গণমাধ্যমের সুবাদে বিষয়টি নজরে আসে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার দিকে আকবরের মিরপুরের ভাড়া বাসায় হাজির হন এই নায়ক। এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর পাশাপাশি নগদ অর্থও আকবরের হাতে তুলে দেন জায়েদ খান। সেই সঙ্গে অসুস্থ আকবরের চিকিৎসার দায়িত্বও নেন তিনি।
জায়েদ খান বলেন, ‘শিল্পী হিসেবে শিল্পীর পাশে দাঁড়িয়েছি। যখন জানতে পারলাম, আকবর ভাই সমস্যায় আছেন। তখন ঠিকানা ম্যানেজ করে উনার বাসায় চলে যাই। যা দেখেছি বা শুনেছি, বলতে চাই না। যত দিন লকডাউন থাকবে, আমি উনার বাসায় খাবার পাঠাব। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’
জায়েদ খান আরও জানান, আকবরের জন্য যা যা করছেন সবকিছুই তিনি তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে করছেন। যেহেতু আকবর সমিতির সদস্য নয়, তাই এর সঙ্গে শিল্পী সমিতির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
‘তোমার হাত পাখার বাতাসে’ গানের এই গায়ক গত বছরের জানুয়ারিতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিডনি, রক্তশূন্যতা, টিবি ভাইরাসে আক্রান্ত হন তিনি। কোমর থেকে দুই পা অবধি অবশ হয়ে যায়। সেসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আকবরকে ডেকে তার চিকিৎসার জন্য ২০ লাখ টাকা (সঞ্চয়পত্র) অনুদান দেন। সেই টাকায় মাসে গড়ে সাড়ে ১৬ হাজার টাকা পান আকবর। সেটি একবারে তিন মাস পর দেওয়া হয়।
![]() সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected] |