পরীক্ষার দিনেই পড়েছে বিয়ের তারিখ। মহাসমস্যায় কনেযাত্রী। কিন্তু বিয়ের জন্য একটা বছর নষ্ট করতে নারাজ পাত্রী। তাই বিয়ের থেকে পরীক্ষাকেই গুরুত্ব দিয়ে ছুটল সে হলে। কনে যখন হলে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে তখন বিয়েবাড়িতে অপেক্ষায় পাত্রপক্ষ। তারপর…
তারপর আর কী? পরীক্ষা দিয়ে সোজা বিয়েবাড়ি। বিয়ের কাজও সারা হল নির্বিঘ্নে। পাত্রীর এই অদম্য জেদ ও সাহস দেখে কুর্নিশ না জানিয়ে থাকতে পারেনি কেউই।
ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদের। বাবা হারানো নিম্নবিত্ত ঘরের মেয়ে ২০ বছরের রেণুকা পাওয়ারের বিয়ে ঠিক হয় শঙ্কর নামে এক ছেলের সঙ্গে। শনিবার গণবিবাহ অনুষ্ঠানে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়ের বাড়ি ফাঁপড়ে পড়ে যখন দেখে ওইদিনই পড়েছে রেণুকার অর্থনীতির পরীক্ষা। কেউ কেউ তাকে পরীক্ষায় না বসে বিয়ের জন্য বেশি উৎসাহ দেন। কিন্তু নাছোড় রেণুকা জানিয়ে দেয় কোনওমতেই সে বছর নষ্ট করবে না। পরীক্ষা সে দেবেই। এবং বিয়ের দিনই দেবে।
শনিবার যখন পরীক্ষা দিয়ে বিয়েরবাড়ি যায় রেণুকা তখন বাজে দুপুর ২টো ১৫মিনিট। ততক্ষণে অন্যান্য যুগলদের বিয়ে প্রায় সম্পন্ন। রেণুকার মুখ থেকে সব শোনার পর সবাই হাততালি দিয়ে ওঠেন। বিয়ের থেকে পরীক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় সবাই রেণুকার তারিফ করেন। তার কিছুপরেই শঙ্করের সঙ্গে বিয়ের তোড়জোর শুরু হয়।
কিছুদিন আগে কর্ণাটকে বিয়ের পোশাকে পরীক্ষা দিতে আসে এক ছাত্রী। তার কিছু আগেই বিয়ে হয় তার। পোশাক পরিবর্তনের সময় না পেয়ে বিয়ের সাজেই হাজির হয় হলে। সেখানে সাতপাক ঘুরে, সিঁথিতে সিঁদুর পরে শ্বশুড়বাড়ি যাওয়ার আগে পরীক্ষা হলে ঢোকে।
