রাসুল (সা.) এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা

প্রতিদিন মসজিদে হারাম সুবাসিত রাখতে ২ হাজার ১৫৫ লিটার সুগন্ধি ও তরলসামগ্রী ব্যবহার করা হয়

সহিষ্ণুতা ও উদারতার ক্ষেত্রে নবীজির দৃষ্টান্ত তিনি নিজেই। তাঁর জীবনের পুরোটাই ছিল ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার সফেদ চাদরে আবৃত। কারও ভুলভ্রান্তিতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে তুলাধুনা না করে বরং তাকে শান্তভাবে বুঝিয়ে দেওয়া একটি মহৎ ব্যাপার। এতে সমাধানও হয়ে যায়, সমস্যাও কেটে যায়। এ প্রসঙ্গে রসুলুল্লাহ (সা.) কত সুন্দর বলেছেন, ‘প্রকৃত বীর সে নয়, যে কুস্তিতে কাউকে হারিয়ে দেয়। বরং সেই আসল বীর, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।’ 
একবার এক ব্যক্তি নবী (সা.) এর কাছে এসে বলল, আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন, ‘কখনও রাগ করো না।’ লোকটি কয়েকবার উপদেশদানের আবেদন করে, নবী (সা.) প্রতিবারই  বলেন, ‘রাগ করো না।’ (বোখারি :  ৬১১৬)।
মহানবী (সা.) এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার একটি ঘটনা বলি। একবার এক বেদুঈন মসজিদে প্রস্রাব করে দিল। সাহাবিরা এ কাণ্ড দেখে রেগে-রোষে তেড়ে এলেন। ‘থামো থামো’ বলে তাকে প্রস্রাব করতে বাধা দিলেন। রাসুল (সা.) তখন তাদের থামিয়ে বলেন, ‘তাকে তোমরা ছেড়ে দাও।’
সাহাবারা তাকে ছেড়ে দিল, সে প্রস্রাব সেরে নিল। প্রস্রাব শেষ হলে  রসুলুল্লাহ (সা.) তাকে কাছে ডেকে বললেন, ‘এটা হলো মসজিদ। এখানে প্রস্রাব করা কিংবা ময়লা-আবর্জনা ফেলা যায় না। বরং এ হলো আল্লাহর জিকির করা, সালাত আদায় করা এবং কোরআন পাঠ করার স্থান। তারপর একজনকে পানি আনতে বললেন। সে এক বালতি পানি আনলে তিনি তা প্রস্রাবের স্থানে ঢেলে দেন।’ (মুসলিম : ২৮৫)।
ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্রোধ সংবরণ করে ধৈর্য ও ক্ষমার পরিচয় দেওয়া অনেক বড় ফজিলতের কাজ। রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ক্রোধ চরিতার্থ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা দমন করবে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে সব সৃষ্টিজগতের সামনে ডেকে ডাগর ডাগর চোখের অধিকারিণী যে কোনো হুর বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দেবেন। (তিরমিজি : ২০২১)।
আমাদের প্রিয় রাসুল (সা.) ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, ক্ষমা, উদারতা, প্রেম-প্রীতি, ভালোবাসা, দয়ামায়া, মানবিকতা, ত্যাগ-তিতিক্ষা ইত্যাদি সব মানবীয় গুণ দিয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন। সুতরাং আজকের এই পৃথিবীকে শুদ্ধতার আলোয় আলোকিত করতে চাইলেও নবীজির সেই মানবীয় গুণগুলো অনুসরণ করতে হবে।


বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাতের সময়
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম
বিস্তারিত
জুমাতুল বিদা আজ
আজ মাহে রমজানুল মোবারকের ২৮ তারিখ। আজ জুমাবার। এটাই এ
বিস্তারিত
চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে
চলছে পবিত্র রমজান মাস। সিয়াম-সাধনার এ মাস জুড়েই রয়েছে রহমত,
বিস্তারিত
কাল পবিত্র লাইলাতুল কদর
হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত পবিত্র 'লাইলাতুল কদর'। মহিমান্বিত এ
বিস্তারিত
১০ বার কোরআন খতমের সওয়াব
একে একে শেষ হয়ে যাচ্ছে রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের দিনগুলো।
বিস্তারিত
মাগফিরাতের ১০দিন শুরু এবং আমাদের
আজ থেকেই শুরু হবে মাগফিরাতের ১০ দিন। দুনিয়ার সকল গোনাহগার
বিস্তারিত