সৃষ্টিলগ্ন থেকেই পুরুষ নারীর প্রতি আকর্ষিত। এ আকর্ষণের অন্যতম অনুঘটক জৈবিক চাহিদা। আর জৈবিক চাহিদা পূরণের বৈধ মাধ্যম হচ্ছে বিবাহ। এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা বজায় থাকে। তাই বিবাহ সব ধর্ম কর্তৃক স্বীকৃত একটি মাধ্যম।
কিন্তু বর্তমানে অনেকে সর্বজন স্বীকৃত এ মাধ্যমকে অবহেলা করেন, অগ্রাহ্য করেন। আবেগের বশবর্তী হয়ে বিবাহবন্ধন ব্যতিরেকে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে কোনো বিশেষ দিবসকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটে থাকে। আর প্রেয়সীর অগাধ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার অজান্তেই অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য ধারণ করে রাখে। আর এটাই পরবর্তী সময়ে প্রেয়সীর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। কোনো কারণে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দিলে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে, নানাভাবে তার কাছ থেকে সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। তাতে রাজি না হলে সে দৃশ্যকে অনলাইনের মাধ্যমে জনসম্মুখে প্রকাশ করে। অনেকে এমন অপকর্মের শিকার হচ্ছে। এটা পরবর্তী সময়ে তার ব্যক্তিজীবনকে যেমন বিষিয়ে তোলে, তেমনি সমাজকে করে কলুষিত। অনেকে আবার এর শিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন।
কেউ যেন এমন অপকর্মের শিকার না হয়, সে জন্য আল্লাহ তায়ালা এ ধরনের ঘৃণ্য অপকর্ম সম্পূর্ণরূপে হারাম করে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা জেনার (বিবাহ ব্যতিরেকে যৌন সম্পর্কের) ধারেকাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।’ (সূরা বনি ইসরাইল : ৩২)।
নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখার জন্য নারী-পুরুষ সবাইকে আল্লাহর বিধান মেনে চলতে হবে। সব অশ্লীল ও অশালীন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। আর যারা আল্লাহর হুকুম মেনে চলবে, অশ্লীল ও অশালীন কাজ থেকে বিরত থাকবে তারা দুনিয়াতে যেমন সুখে-শান্তিতে বেঁচে থাকতে পারবে, তেমনি পরকালে তাদের জন্য এটা নাজাতের কারণ হবে। মুহাম্মাদ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী স্থান অর্থাৎ জিহ্বা এবং দুই উরুর মধ্যবর্তী স্থান অর্থাৎ লজ্জাস্থান হেফাজতের নিশ্চয়তা দিবেÑ আমি তাকে জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।’ (বোখারি : ৬৪৭৪)।
জেনা থেকে বাঁচতে হলে পুরুষদের অবশ্যই তাদের দৃষ্টিকে সংযত করতে হবে। কেননা দৃষ্টির মাধ্যমে অন্তরে লিপ্সা জাগ্রত হয়। তাই আল্লাহ তাদের দৃষ্টি সংযত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘মোমিনদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাজত করে।’ (সূরা নুর : ৩০)।
পরের আয়াতে আল্লাহ নারীদের উদ্দেশে বলেন, বলুন... ‘তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে এবং তাদের গোপন সাজসজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।’ (সূরা নুর : ৩২)। নিজের নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখার জন্য নারীদেরও তাদের সৌন্দর্য ঢেকে রাখতে হবে। তা না হলে যে কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে।
সুতরাং বিশেষ কোনো দিবসে প্রিয়জনের অনুরোধে আবেগে আপ্লুত হয়ে বিবাহ ব্যতিরেকে তার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা যাবে না। বরং সর্বদা আল্লাহকে ভয় করতে হবে এবং এমন ঘৃণ্য সব অপকর্ম থেকে বিরত থাকতে হবে। আর কোনো অবস্থাতেই নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দেওয়া যাবে না।
বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাতের সময়
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম
বিস্তারিত
বিস্তারিত
জুমাতুল বিদা আজ
আজ মাহে রমজানুল মোবারকের ২৮ তারিখ। আজ জুমাবার। এটাই এ
বিস্তারিত
বিস্তারিত
চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে
চলছে পবিত্র রমজান মাস। সিয়াম-সাধনার এ মাস জুড়েই রয়েছে রহমত,
বিস্তারিত
বিস্তারিত
কাল পবিত্র লাইলাতুল কদর
হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত পবিত্র 'লাইলাতুল কদর'। মহিমান্বিত এ
বিস্তারিত
বিস্তারিত
১০ বার কোরআন খতমের সওয়াব
একে একে শেষ হয়ে যাচ্ছে রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের দিনগুলো।
বিস্তারিত
বিস্তারিত
মাগফিরাতের ১০দিন শুরু এবং আমাদের
আজ থেকেই শুরু হবে মাগফিরাতের ১০ দিন। দুনিয়ার সকল গোনাহগার
বিস্তারিত
বিস্তারিত
