করোনা ভাইরাসের থাবায় বিশ্বজুড়ে চলছে অস্থিরতা। দ্রুত বিস্তারে আতঙ্কিত সবাই। আতঙ্ক এতেটাই বেশি যে দেশের অধিকাংশ এলাকা এখন ঘোষিত-অঘোষিত লকডাউনের আওতায়। এ অবস্থায় বড় পর্দার মতো ক্যামেরা ক্লোজ ছোট পর্দার। এতে করে বিপাকে পড়েছেন ছোট পর্দার তরুণ নির্মাতারা। তাদের একজন এম এস রুবেল রানা।
তিনি হতাশকন্ঠে বলেন, ঈদকে সামনে রেখে আমার হাতে তিনটি একক (চলো পালাই, সহধর্মীনী এবং সম্পর্ক) এবং একটি সাত পর্বের সিরিয়াল (আয়না ও বায়না) ছিল। সব ঠিকঠাক ছিল কিন্তু করোনা আতঙ্কে এগুলো সম্পন্ন করাটা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সম্ভব নয়। কারণ হাতে সময় খুব একটা নেই।
রুবেল বলেন, যতদূর মনে হচ্ছে করোনাভাইরাসের থাবা আগামী এক মাসেও শেষ হবে না। তবে আমার কষ্ট তরুণ নির্মাতা হিসেবে প্রস্তুতি নিয়েও নাটক নির্মাণ করতে না পারার নয়; বরং কষ্ট হচ্ছে কঠিন এ রোগটিতে যারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। পাশাপাশি যারা রোগটির অজানা আতঙ্ক নিয়ে ঘরে নিজেকে লকডাউন করে রেখেছেন। এঅবস্থায় মানুষদের বিনোদিত করার কম সুযোগটিও ব্যবহার করা যাচ্ছে না। শুধু আমি নই অনেক নির্মাতারাই এই অবস্থা।
করোনা পরবর্তী নাটক নির্মাণে বাধা কোথায়? এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্মাতা বলেন, বাধা অবশ্যই আছে। আর সে বাধার মুখে সবার আগে তরুণ নির্মাতারাই পড়বে। কারণ সিনিয়রা চাইবেন তাদের নাটকগুলো সিনিয়র অভিনেতা-অভিনেত্রীরা সিডিউল দিক। এতে করে অনেক তরুণ নির্মাতাই বেকার হয়ে পড়বেন। হাতছাড়া হয়ে যাবে অনেক কাজ। এঅবস্থার উত্তরণে ডিরেক্টরও গিল্ড এবং শিল্পী সংঘকে একযোগে কাজ করতে হবে বলেও অভিমত প্রকাশ করেন রুবেল রানা।
