ফাইনাল খেলার লক্ষ্য। কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। টস হেরে নামতে হলো ব্যাটিংয়ে। ধীরস্থির শুরু করলেন দুই ওপেনার, খানিক বাদেই বেরিয়ে এলেন খোলস থেকে। এরপর একে একে ফিফটি তুলে নিলেন তিনজন, তানজিদ হাসান তামিম, তৌহিদ হৃদয় ও শাহাদাৎ হোসেন। বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলে থামলো ২৬১ রানে।
পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়েই ৪৮ রান তুলে টাইগার যুবারা। কিন্তু বিপত্তি বাধে এরপরই। ১৩ তম ওভারের প্রথম বলেই মুলেটসানের কুইকার ডেলিভারিতে সাজঘরে ফেরত যান পারভেজ। ৪০ বল থেকে ৩ চারে ১৭ রান করেন তিনি। এরপর উইকেটে এসে স্থায়ী হননি মাহমুদুল হাসান জয়ও। ১৫ বলে মাত্র ৩ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন তিনি।
দুই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন তামিম। এগোচ্ছিলেন ব্যক্তিগত সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু ভাগ্য সহায় হলো না। দলীয় ১৩০ রানের মাথায় ১২ চারে ৮৪ বলে ৮০ রান করে পয়েন্টে বিয়াওফোর্টের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন এই ওপেনার।
তামিমের বিদায়ের পরও বাংলাদেশকে কক্ষপথে রাখেন শাহাদাৎ হোসেন ও তৌহিদ হৃদয়। দুজনেই তুলে নেন ফিফটি। ২ চারে ৭৩ বলে ৫১ রান করে আউট হন হৃদয়। আর শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৭৬ বলে ৭৪ রান করেন শাহাদাৎ হোসেন।
স্বাগতিকদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন মুলেটসান।
