কাঁচা ও পাকা— উভয় অবস্থায় যেসব ফল খাওয়া যায়, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো আম। পাকা আম খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। তবে কাঁচা আমেরও গুণের শেষ নেই। পুষ্টিবিদরা জানান, কাঁচা আমের রস ব্যায়ামের চেয়েও উপকারী। এ রস তীব্র গরমের প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং পানিশূন্যতা দূর করে। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম ক্লোরাইড এবং আয়রন বের হওয়া থেকেও বাঁচায়। পাকস্থলীর যে কোনো ধরনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে কাঁচা আম।
এছাড়া এটি সকালে বমি বমি ভাব, কোষ্টকাঠিন্য ও ডায়রিয়া কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। কাঁচা আম হজমশক্তিও বাড়ায়। কাঁচা আমে থাকা নিয়াসিন হৃদরোগের জন্য বেশ উপকারী। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। কাঁচা আম শুকিয়ে আমচূড় করা হয়। এটি অথবা শুকনো কাঁচা আমের গুঁড়া স্কার্ভি নামক চর্মরোগ সারাতে ব্যবহার করা হয়।
কারণ কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে। এছাড়া এটি রক্তের লোহিত কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। কাঁচা আম যকৃৎ এবং এ সম্পর্কিত যে কোনো ধরনের অসুখ সারাতে সাহায্য করে। এক টুকরো কাঁচা আম চিবিয়ে খেলে তা খাবারে থাকা ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এটি ফ্যাট শোষণ করতেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এক টুকরা কাঁচা আম চিবিয়ে খেলে অবসন্ন ভাব দূর হয়। এটি শরীরের কার্যক্ষমতাও বাড়ায়।
সূত্র : এনডিটিভি
