লেখালেখির জগতে বেশ হাত পাকিয়েছেন ইলা মজিদ। ইতোমধ্যে কাশবনের দীর্ঘশ্বাস, রবীন্দ্রনাথের ঘর-সংসারসহ পাঠকনন্দিত কয়েকটি বই উপহার দিয়েছেন। একই সাথে গানের জগতে রয়েছে তার সগর্ব পদচারণা। নিয়মিত রুচিসম্মত গান লিখে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন ইতোমধ্যে। সম্প্রতি এসব বিষয় নিয়ে কথা হয় তার সাথে।
আলোকিত বাংলাদেশ: লেখালেখি জগতে প্রবেশটা কেমন ছিল?
ইলা মজিদ: ছোটবেলা থেকেই বই পড়তে ভীষণ ভালবাসতাম। বই পড়তে পড়তে মনের ভিতর একটা ভাবাবেগ কাজ করে। এই তাড়না থেকেই ধীরে ধীরে লেখালেখির জগতে প্রবেশ।
আলোকিত বাংলাদেশ: কীভাবে কাটছে দিনগুলি?
ইলা মজিদ: বর্তমানে গান শুনে আর লেখালেখি করে দিন কেটে যাচ্ছে।
আলোকিত বাংলাদেশ: আপনার লেখনিতে কোন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন?
ইলা মজিদ: আমার লেখনিতে মূলত সুন্দর ও সুস্থ চিন্তার প্রতিফলন থাকে।
আলোকিত বাংলাদেশ: গীতিকার হিসেবে দেশের মানুষের কাছে দায়বদ্ধতার জায়গাটা কোথায়?
ইলা মজিদ: গীতিকার হিসেবে ভাবতে এখনো দ্বিধা লাগে। তারপরও দায়বদ্ধতার কথা আসলে বলতে চাই, বাণীপ্রধান গান লিখে গানের জগৎকে সমৃদ্ধ করা এবং রুচিশীল গানের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।
আলোকিত বাংলাদেশ: দেশের জন্য কিছু বলুন।
ইলা মজিদ: অনেক ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশকে পেয়েছি। এই দেশটিকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন ছিল। স্বপ্নগুলো বাস্তবায়িত হতে দেরি হচ্ছে। দেশের জন্য সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করা উচিত। ব্যক্তিস্বার্থে নয়।
আলোকিত বাংলাদেশ: সুরকার ও গীতিকারের বিষয়ে বলুন।
ইলা মজিদ: সুরকার ও গীতিকারের মধ্যে বোঝাপাড়া থাকা দরকার। সুরকার প্রয়োজনে গীতিকারের শব্দ, বাক্য বদল করতে পারবে। মূলত সুরকার ও গীতিকারের সমন্বয়েই একটি সুন্দর সৃষ্টি উপহার দেয়া যায়।
আলোকিত বাংলাদেশ: কোন কোন শিল্পীর সাথে কাজ করেছেন?
ইলা মজিদ: ইতোমধ্যে সদ্যপ্রয়াত সুবীর নন্দী, ফাহমিদা নবী, ফাতেমা-তুজ-জোহরা, বৃষ্টি, রিংকু, চম্পা বণিক, সোনিয়াসহ বেশ কয়েকজন শিল্পীর সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। এছাড়া ওপার বাংলার প্রথিতযশা শিল্পী হৈমন্তী শুক্লাও আমার গান গেয়েছেন। আমার গান সুজেয় শ্যামের সুরে গেয়েছেন প্রিয়াংকা গোপ।
আলোকিত বাংলাদেশ: সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
ইলা মজিদ: আপনাকে এবং আপনার মাধ্যমে আলোকিত বাংলাদেশকেও ধন্যবাদ।
